রাজবাড়ি
#রাজবাড়ি
গল্পটায় এত সারা পাবো তা ভাবিনি।
তবে এর মধ্যে কয়েক জন কপি করা বলছে।তাদের জন্য গল্পটা বন্ধ রাখলাম।তারা বললো গল্পটা মাহমুদা মিনি আপু আর খালিদ ব্রো লিখছে।ঘটনা হলো তাদেরকে বলার পর তারা বলে লেখেনাই।
তাহলে আমি কারটা কপি করলাম? আমি গল্প লিখছিই মাত্র ১ টা২ টা।তবে কপি করে না।নিজের কল্পনা দিয়ে।আশা করি তা করাও লাগবে না।
#রাজবাড়ি
তবে এর মধ্যে কয়েক জন কপি করা বলছে।তাদের জন্য গল্পটা বন্ধ রাখলাম।তারা বললো গল্পটা মাহমুদা মিনি আপু আর খালিদ ব্রো লিখছে।ঘটনা হলো তাদেরকে বলার পর তারা বলে লেখেনাই।
তাহলে আমি কারটা কপি করলাম? আমি গল্প লিখছিই মাত্র ১ টা২ টা।তবে কপি করে না।নিজের কল্পনা দিয়ে।আশা করি তা করাও লাগবে না।
#রাজবাড়ি
পর্ব:-২
রাজবাড়ি গেটের সামনে জরোসরো হয়ে আর দারায়া থাক যাচ্ছে না।বৃষ্টির পানি তে প্রায় সবাই ভিজা ভিজা অবস্থা আবার চারদিক অন্ধকার হয়েও আসছে।কি করব বুঝতে পারছি না।সেই সময় হৃদয় বলে উঠলে আমরা ভিতরে যাচ্ছিনা কেন?
কথাটা শুনেই
তানভির একটা ইট তুললো আর বড় লাল কাপড় দিয়ে বাধা তালাটয় আঘাত করলো।হঠাৎ খুব
কাছে কথাও ঠাডা পরলো আর ভূমি কম্পোর মতো শুরু হলো।ঘটনা সবাই অবাক।সব কিছু
হঠাৎ করে শুরু হয়ে হঠাৎ করেই শেষ হলো।
"এটা কি ছিল" ভয়ার্ত দৃষ্টিতে ইশান বললো।
দীপু বললো "এটা কাকতালীয় "
"এখন এটা নিয়ে চিন্তা করে কি হবে দরজা টা ভেঙ্গে ভিতরে ঢুকতে হবে। নাহয় এখানেই আমরা শেষ"আমার কথা শুনে তানভির আবার তালায় আঘাত করলো এবার কাপড়টা ছিরে তার ভিতর থেকে টকটকে লাল সিদুঁর গরিয়ে পড়লো আর সাথে সাথেই ওত বড় তালাটা খসে পরে গেলো এবং পচন্ড বড় দরজাটা খুলে গেলো এবং চারদিকে আবার সেই কম্পন। কি করবো বুজতে পারছিলামনা।তখন আলোম রাজবাড়ি টায় ঢুকে গেলো।
তার দেখা দেখি আমরা সবাই ঢুকলাম।অনেক বড় বাড়িটা মাত্র দুই তলা।ঢাকার শহরে এই জায়গায় ৪ ৫তালা বিলডিং বানাই দিত।চারদিকে অন্ধকার বাহিরের ঠাডা পড়ার সময় একটু একটু আলো আসছে।সবাই একজায়গায় দারিয়ে ঘটনাটায় স্বাভাবিক হবার চেষ্টা করছি।
দীপু বললো "এখন কোনো মতে রাতটা কাটাতে পারলেই হয়"।
"কথায় এই ভূতের বাসায়?"তানভির ভয়পাওয়া মুখ টা গোল করে বললো।
হৃদয় হতাশ হয়ে জিজ্ঞাস করলো"তাছারা কি আর কোনো উপায় আছে?"
"তাহলে এখন কি করবো আমরা?"আলোম কাপা কাপা কন্ঠে বললো।
হটাৎ প্রকান্ড একটা ঠাডা পরলো আর দরজাটা প্রচন্ড গতিতে বন্ধ হয়ে গেলো।
বাড়ির ভিতরটা গোল।চারদিক দিয়ে প্রকান্ড পিলারে একটা একটা মশাল জলে উঠলো।
চারদিকটা আলোও ভরে উঠলো।অন্ধকারে পচা গন্ধ আর নংরা নংরা ভাবটা আলোয় উধাও।চারদিকটা গোছালো।শুধু গোছালো বলাটাও ভূল খুব সুন্দর করে গোছানো।একটা সুন্দর সুবাশ আশছে।বাড়িটাকে এখন ভূতুরে বাড়ি না রাজ বাড়ি রাজবাড়ি লাগছে।
ইশান:-আমি কিছুই বুঝতে পারছিনা।এইসব কি হচ্ছে?
হাসনাত:-বাড়িটা থেকে আমাদের বের হতে হবে।
তনভির:-দরজা বন্ধ।আর মোবাইলেও নেটওয়ার্ক নাই।
হৃদয়ের এতক্ষন মবাইলের কথা মনে ছিলনা। সময় দেখার জন্য স্ক্রিনে তাকাতেই আতকে উঠলো।
আলোম:-কি হয়েছে হৃদয়?
হৃদয়:-রাত ৩টা বাজে।
হৃদয়ের কথা শুনে সবাই স্ক্রিনে তাকালাম রাত ৩টা বাজে আর কাটা ঘুরছে না।
দীপু:-বড় ধরনের একটা ঝামেলায় জরিয়েছি আমরা।খুব সহজে ছার পাবো না।
ইশান :-কিছু একটা করা লাগবে।
ঠিক তখনিই আবার সেই কম্পন, তবে এবার একটা কন্ঠ ও ভেসে আসছে।
"অনেক বড় অনেক বড় ভূল করেছিস।এর দাম তদের দিতে হবে। "
কথাটা বলেই ভয়ানোক একটা হাসি।
"কে? কে বলছেন?এসব কেন বলছেন? "
"এটা কি ছিল" ভয়ার্ত দৃষ্টিতে ইশান বললো।
দীপু বললো "এটা কাকতালীয় "
"এখন এটা নিয়ে চিন্তা করে কি হবে দরজা টা ভেঙ্গে ভিতরে ঢুকতে হবে। নাহয় এখানেই আমরা শেষ"আমার কথা শুনে তানভির আবার তালায় আঘাত করলো এবার কাপড়টা ছিরে তার ভিতর থেকে টকটকে লাল সিদুঁর গরিয়ে পড়লো আর সাথে সাথেই ওত বড় তালাটা খসে পরে গেলো এবং পচন্ড বড় দরজাটা খুলে গেলো এবং চারদিকে আবার সেই কম্পন। কি করবো বুজতে পারছিলামনা।তখন আলোম রাজবাড়ি টায় ঢুকে গেলো।
তার দেখা দেখি আমরা সবাই ঢুকলাম।অনেক বড় বাড়িটা মাত্র দুই তলা।ঢাকার শহরে এই জায়গায় ৪ ৫তালা বিলডিং বানাই দিত।চারদিকে অন্ধকার বাহিরের ঠাডা পড়ার সময় একটু একটু আলো আসছে।সবাই একজায়গায় দারিয়ে ঘটনাটায় স্বাভাবিক হবার চেষ্টা করছি।
দীপু বললো "এখন কোনো মতে রাতটা কাটাতে পারলেই হয়"।
"কথায় এই ভূতের বাসায়?"তানভির ভয়পাওয়া মুখ টা গোল করে বললো।
হৃদয় হতাশ হয়ে জিজ্ঞাস করলো"তাছারা কি আর কোনো উপায় আছে?"
"তাহলে এখন কি করবো আমরা?"আলোম কাপা কাপা কন্ঠে বললো।
হটাৎ প্রকান্ড একটা ঠাডা পরলো আর দরজাটা প্রচন্ড গতিতে বন্ধ হয়ে গেলো।
বাড়ির ভিতরটা গোল।চারদিক দিয়ে প্রকান্ড পিলারে একটা একটা মশাল জলে উঠলো।
চারদিকটা আলোও ভরে উঠলো।অন্ধকারে পচা গন্ধ আর নংরা নংরা ভাবটা আলোয় উধাও।চারদিকটা গোছালো।শুধু গোছালো বলাটাও ভূল খুব সুন্দর করে গোছানো।একটা সুন্দর সুবাশ আশছে।বাড়িটাকে এখন ভূতুরে বাড়ি না রাজ বাড়ি রাজবাড়ি লাগছে।
ইশান:-আমি কিছুই বুঝতে পারছিনা।এইসব কি হচ্ছে?
হাসনাত:-বাড়িটা থেকে আমাদের বের হতে হবে।
তনভির:-দরজা বন্ধ।আর মোবাইলেও নেটওয়ার্ক নাই।
হৃদয়ের এতক্ষন মবাইলের কথা মনে ছিলনা। সময় দেখার জন্য স্ক্রিনে তাকাতেই আতকে উঠলো।
আলোম:-কি হয়েছে হৃদয়?
হৃদয়:-রাত ৩টা বাজে।
হৃদয়ের কথা শুনে সবাই স্ক্রিনে তাকালাম রাত ৩টা বাজে আর কাটা ঘুরছে না।
দীপু:-বড় ধরনের একটা ঝামেলায় জরিয়েছি আমরা।খুব সহজে ছার পাবো না।
ইশান :-কিছু একটা করা লাগবে।
ঠিক তখনিই আবার সেই কম্পন, তবে এবার একটা কন্ঠ ও ভেসে আসছে।
"অনেক বড় অনেক বড় ভূল করেছিস।এর দাম তদের দিতে হবে। "
কথাটা বলেই ভয়ানোক একটা হাসি।
"কে? কে বলছেন?এসব কেন বলছেন? "
তানভির কোনোমতে কাপা কাপা কন্ঠে জানতে চাইলো।কিন্তু উত্তর হিসেবে কিছুই ফিরে আসলো না।
"এখান থেকে আমাদের বের হতে হবে।"
আলোম কথাটা বলেই দরজায় ধাক্কা দিতে লাগলো।ওর দেখা দেখি আমরাও ধাক্কাতে লাগলাম।খুব পুড়াতন হবার কারনে সহজেই ভেঙ্গে গেলো।আর আমরাও বের হয়ে বৃষ্টি অবহেলা করে দৌরাতে লাগলাম।কিন্তু একি! ইশান কই?
ইশান অনেক চেষ্টা করছে বের হওয়ার জন্য। কোনো এক অচেনা অদৃশ্য শক্তি ওকে আটকে রেখেছে। সবাই মিলে ওকে কোনো মতে টেনে টুনে বের করলাম। বের হয়েই অজ্ঞান হয়ে গেলো। আর ভিতর থেকে আবার সেই হাসি!ইশান কে কোনো মতে তুলে বাসায় নিয়ে আসলাম।
ঘরের আসতেই সবাই অবাক হয়ে প্রশ্ন শুরু করলো।বড় ভাই রহমত চাচাকে ডাক্তার আনতে পাঠালো।ডাক্তার ইশান কে দেখে কিছু বলতে পারলো না।আর সবচেয়ে অবাক করা কান্ড হলো এখন মাত্র রাত ৮টা বাজে।সেই রাতেই ইশানের জ্ঞান ফিরে।রাত ১০টার দিকে। ঘরের সবাই একটার পর একটা প্রশ্ন করছে আর আমরা পাশকাটিয়ে যাচ্ছি।এক সময় সবাই হাল ছেরে দেয়। আর সবাই ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে যাই।
রাত ৪টার দিকে আমার ঘুম ভাঙ্গ পানি খাওয়ার জন্য।ঘরে সবাই আছে শুধু ইশান কে পাচ্ছি না।ইশান কই?
চলবে.......................

Nice
ReplyDelete